গল্পের শুরুতেই পরিচয় হয় দুই প্রধান চরিত্র—প্রণব ঘোষ ও নিধি কর্মকারের সাথে। প্রণব মুর্শিদাবাদের একজন ২৫ বছর বয়সী যুবক, যে একটি বাইক শোরুমে কাজ করে। অন্যদিকে নিধি রামপুরহাটের ২২ বছর বয়সী মেয়ে, সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে।
তাদের পরিচয় হয় Facebook-এর মাধ্যমে। প্রথমে সাধারণ কথা-বার্তা হলেও ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে এবং সেই বন্ধুত্ব ভালোবাসায় পরিণত হয়। প্রতিদিন কথা বলা, স্বপ্ন দেখা—সবকিছু মিলিয়ে তারা একে অপরের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।
কিন্তু সমস্যা শুরু হয় যখন নিধির পরিবার তাদের সম্পর্কের কথা জানতে পারে। পরিবারের লোকজন এই সম্পর্ক মেনে নেয় না এবং নিধির জন্য অন্য জায়গায় বিয়ের ব্যবস্থা করতে শুরু করে। নিধি এতে একেবারেই রাজি নয়, কারণ সে প্রণবকে সত্যিকারের ভালোবাসে।
চাপ, ভয় আর অনিশ্চয়তার মধ্যে নিধি ও প্রণব বুঝতে পারে, তাদের ভালোবাসা রক্ষা করতে হলে বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এখান থেকেই গল্পে শুরু হয় উত্তেজনা ও অ্যাডভেঞ্চারের ইঙ্গিত—যা পরবর্তী অধ্যায়ে আরও গভীরভাবে প্রকাশ পাবে।
