#পর্বসংখ্যা১৩
#হ্রদয়ামিলন
#Shavakhan
'সারহাদ চৌধুরী' বর্তমানে টলিউডের অন্যতম ফেমাস ডিরেক্টর। তবে বাংলাদেশে করা তার মুভির সংখ্যা কমই, কেননা সে বাংলাদেশে খুব কমই আসে।ব্যবসার জগতেও তার নাম মাঝে মাঝেই ভেসে আসে। তার ব্যক্তিত্ব এমন যে কারো মনে সাড়া জাগাতে সক্ষম। ছয় ফুট উচ্চতায়, চলনের ভঙ্গিতে প্রকাশ পায় এক অদৃশ্য কর্তৃত্ব। তার শ্যামবর্ণের মুখশ্রীতে ঘন কৃষ্ণপল্লবে ঘেরা নিকষ কালো চোখের মনি দুটি সবথেকে বেশি আকর্ষণীয়। বয়স বত্রিশ ছুঁই ছুঁই হলেও তার মুখের শার্প গড়ন, অদ্ভুত শান্ত অধর, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি তা বুঝতে দিতে অক্ষম। চিত্রশিল্প জগতে তার প্রবেশ বেশিদিনের না হলেও তার সাফল্য পাহাড়চূড়া।
_________________
আরজে গত এক ঘন্টা যাবত বেশ ঠান্ডা পানিতে শাওয়ার নিয়ে বেরিয়েছে। হোটেল স্টাফ কে ডেকে রুম পরিষ্কার করে নেয়। তার হাতের বেশ কয়েক জায়গায় কেটে গেছে।আরজে অ্যান্টিসেপটিক বের করে লাগিয়ে নেয়। পুরো কাজটা এমনভাবে সম্পন্ন করে যেন সে অনুভূতিহীন নিষ্পৃহভাবে। সাধারণ মানুষ হলে ব্যথায় কুঁকড়ে ওঠত কিন্তু তার মধ্যে বিন্দুমাত্র হেলদোল দেখা গেল না। কেননা জানোয়ারদের কোন ব্যথা অনূভুত হয় না।
কাজ শেষে আরজে হাতে মোবাইলটা নিয়ে ভাবছে সানা কে কল করবে কিনা। কোনদিনও শুটে এসে কল দেয়নি।এখন সে তার মনকে বুঝাতে পারছে না। আর কল দিয়ে কি বলবে সে? বহু ভাবনার পর, মন আর মস্তিষ্কের যুদ্ধে আরজে মনকে সায় জানিয়ে, সানা কে কল করে। কিন্তু একি নাম্বার বারবার বন্ধ আসছে। মুহূর্তে সে বুঝে ফেলে সানা তাকে এখনো ব্লক করে রেখেছে। সে হাত মুষ্টিবদ্ধ করে নিজের রাগ সংবরণ করে।আবার সে কন্ট্রোল হারাতে চায়না। এখন তার একটা লম্বা ঘুমের দরকার, কাল সকালে আবার শুট। এই মেয়েকে কালকেই দেখে নেবে।
_____________________
গত দশ মিনিট ধরে সানা রুমে পায়চারি করছে এদিক থেকে সেদিক। আর বারবার ল্যাপটপে থাকা ভিডিওটা দেখছে। এরা কাল বাড়িতে ও গাড়িতে মাতলামি করেছে, সারহাদ এগুলো ভিডিও করেছে। কিছুক্ষণ আগে এসপি সেগুলো সানাকে দেখানোর পর থেকেই সে বারবার এগুলো দেখেই যাচ্ছে। যেখানে একটা ক্লিপ গাড়ির, শুরুতেই দেখা যাচ্ছে এসপি গাড়িতে গলা ফাটিয়ে গাইছে,
-"বাবায় হরেক রকম পাগল দিয়া মিলাইছে মেলা..."
সানা সমস্বরে বলে ওঠে,
-"আহা...হা..হা"
আবারও এসপি বলে,
-"ওই বাবার হরেক রকম পাগল দিয়া মিলাইছে মেলা,
বাবা তোমার দরবারে সব পাগলের খেলা"
তারপর দুজনে একসাথে গলা ফাটিয়ে গাইতে থাকে। এখানে একটা ক্লিপ শেষ। তারপর আরেকটা ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, তাদেরকে বাড়িতে নিয়ে আসার পরেও এসপি আর সানা নিজদের গাড়ি খুঁজছে। সারহাদ ভিডিও অন করে অদূরে দাঁড়িয়ে এদের কান্ড দেখে মিটিমিটি হাসছে আর দৃষ্টিতে আবদ্ধ শুধু সানা। এসপি একটু পর একটা দরজার হ্যান্ডেলে হাত রেখে উল্টো দিকে টেনে সানা কে ডাকে,
-"এই কটকটি গাড়ি পেয়েছি এদিকে আয়, কিন্তু গাড়ি খুলছে না"
সানা এসপির পিছনে গিয়ে ধাম করে একটা কিল বসিয়ে দে। এসপি পিঠে হাত রেখে বলল,
-"আহ..... মারলি কেন?"
-"তুই গাড়ি না খুললে আমরা বাড়ি যাব কিভাবে। সর দেখ কিভাবে খুলতে হয়"
এসপি সরে যায়। সানা এগিয়ে এসে দরজার হ্যান্ডেল ধরে উল্টোদিকে জোরে টানছে আর বলছে,
-"জোর লাগাকে"
দুজনেই সমস্বরে বলে ওঠে,
-"হেইয়ো"
-"জোর লাগাকে"
-"হেইয়া"
তারপর সানা ঠাস করে ল্যাপটপ বন্ধ করে ফেললো। এরপর আর দেখার ইচ্ছা নাই তার। এসপি বিরক্তজনক কন্ঠে বলে,
-"আমার মা, তুই শতবার দেখলেও এটা চেঞ্জ হবে না"
সানা তার উপর ছড়া গলায় বললো,
-"আমি ভেবেছিলাম পৃথিবীতে একটাই জাওরা আছে। কিন্তু তোর ভাই প্রমাণ করে দিল রানভীর একা না।"
এসপি গরম হয়ে গেল,
-"এ... এ.. তুই আমার ভাইকে একদম জাওরা বলবি না"
সানা এসপির গাল টেনে ধরে বলে,
-"ওলে বাবালে এসেছে একদম ভাইয়ের লেউটা। সর এখান থেকে। দূরে গিয়া মুড়ি খা"
এসপি আগের জায়গায় ফিরে যায়,
-"আমার ভাই কে তুই জাওরা বললি কেন? আগে সেটা বল?"
সানা রুষ্ট স্বরে বলে,
-"তো বলবো না, দেখ কিভাবে দূরে.... দাঁড়িয়ে হাসছে। আরে ভাই আমাদের তো শেষে অজ্ঞান করেই দিয়েছেন, প্রথমেই করে দিতেন।"
এসপি আর কিছু বলল না। এই মেয়ের সাথে সে চাপায় পেরে উঠবে না। সানা আবারও পাইচারি শুরু করলো। এবার এসপির মাথা ঘুরাচ্ছে। একে তো কাল রাতে উল্টোপাল্টা কিছু খেয়েছে তার উপর এই মেয়ে। সে সানার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে,
-"সমস্যা কি তোর এক জায়গায় বস না"
সানা পা থামিয়ে তার দিকে তাকায়। ভ্রু নাচিয়ে বলে,
-"কীভাবে বসবো, তোর ভাইয়ের সাথে আমার প্রথম দেখা হলো। আর প্রথম দেখাতেই এমন অদ্ভুত বিহেব! তোর ভাইয়ের সামনে আমার রেসপেক্ট ড্যামেজ হয়ে গিয়েছে।"
-"আরে তো রিপ্যায়ার হয়ে যাবে, সমস্যা কি?
তাদের কথার মাঝেই দরজায় টোকা পড়ে। দুজনেই চোখ তুলে তাকাতেই দেখে সারহাদ। ভেসে আসে একটা ভারিক্কি পুরুষালী স্বর,
-"এম আই ডিস্টার্বিং ইউ গাইস"
এসপি তৎক্ষণাৎ জবাব দেয়,
-"আরে না ব্রো...."
-"ওহ.... আচ্ছা আমি ব্রেকফাস্ট রেডি করেছি"
তারপর সানার দিকে তাকিয়ে বলে,
-''তোমরা আসো"
সারহাদ চলে গেল। পিছন পিছন সানা আর এসপিও যায়।
সানা নিচে এসে চারদিকে চোখ বুলায় একবার।কাল রাতে কিছুই দেখেনি। সারহাদের ডুপ্লেক্সের উপরের তলায় তিনটে বেডরুম, প্রতিটা রুমে আভিজাত্যের ছোঁয়া। পুরো বাড়িটার এত নিখুঁত গড়ন যেন কেউ নিজ হাতে সযত্নে সাজিয়েছে। ফ্লোরে সাদা-ধূসর মার্বেল, দেওয়ালে মিনিমাল আর্ট, অপরূপ ব্রাশস্ট্রোক, পিংক ও রূপালী টোনে। যেন বাড়ির ভিতর নীরবতা আঁকা। নিচতলা জুরে বড় লিভিং রুমের মাঝে চারকোল ভেলভেট সোফা, তার সামনে কালো গ্লাস টফ টেবিল আর এক কোণে রয়েছে স্টিল ফ্লোর ল্যাম্প। আধুনিক ডাইনিং, কিচেন, স্টাডি রুম সবকিছু মিলিয়ে নিখুঁত ও অভিজাত রুচির বহিঃপ্রকাশ করছে। সানা চলে যায় ডাইনিং এর দিকে।
খাবার টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে সানার চোখ বড় বড় হয়ে যায়। হরেক রকমের নাস্তার আইটেম তবে তার দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে চা আর পরোটার দিকে। তার কপালে কয়েকটা ভাঁজ পড়ে, পৃথিবীতে তো একমাত্র সেই এমন অদ্ভুত খাবার খায় তাহলে...
তার ভাবনার বিচ্ছেদ ঘটিয়ে পিছন থেকে একটা গম্ভীর রাশভারী পুরুষালী স্বর আসে,
-"এনিথিং রং মিস"
সানা চমকে পিছনে তাকায়, সারহাদ একদম তার পিছনে। সানা মাথা দুদিকে নাড়িয়ে 'না' বোঝায়। সারহাদ কে একটা হাসি উপহার দিয়ে বসে পড়ে।
খাবার টেবিলে চামচের টুংটাং আওয়াজ ছাড়া কারো মুখে কোন শব্দ নেই। সানা তার বাম দিকে একবার তাকাচ্ছে তো ডান দিকে একবার। কেননা তার বাম দিকে দুধ চা রাখা আর ডান দিকে একদম পারফেক্ট ভাবে ঘিয়ে ভাজা পরোটা। কিন্তু এমন অদ্ভুত খাবার যদি সে সারহাদের সামনে খায়, তাহলে তার রেস্পেক্ট যতটুকু আছে ততটুকু ও ড্যামেজ হয়ে যাবে। তার সম্পূর্ণ মনোযোগ পরোটার দিকে, কিন্তু হাতে থাকা স্যান্ডউইচে পরপর কামড় বসাচ্ছে। একটু পর সারহাদ এসপি কে বলে,
-"এসপি আজকে তোকে বাড়ি যেতে হবে"
এসপি চোখ তুলে তার ভাইয়ের দিকে তাকায়,
-"কেন?"
-"মামা এসেছে"
এসপি মাত্র কফিতে চুমুক দিয়েছে, মামার কথা শুনতেই "বুহহহহ" করে মুখ থেকে সম্পূর্ণ কপি ছিটকে পড়ে। কিছুটা সানার হাতে পড়তেই সানা চা পরোটার ভ্রম থেকে বেরিয়ে আসে। আরুষ্ট দৃষ্টিতে এসপির দিকে তাকায় মনে মনে বলে, 'ইচ্ছে করছে এর কানের নিচে বাজাতে, কিন্তু সে এখন ভদ্র মেয়ে।
কিন্তু এসপির অবস্থা খারাপ, তার গলা দিয়ে আর খাবার নামছে না। তার মামা এসেছে মানে যম এসেছে।
ব্রেকফাস্টের পরই সানা আর এসপি বেরিয়ে পড়ে। সানার ক্লাস আছে, এখান থেকে বাড়ি গিয়ে তারপর একাডেমিতে যাবে। কিন্তু বেরোতেই তার মনে হলো সে কোন স্বপ্নের বাড়িতে। চারদিকে এতবড় ফুলের বাগান, তার মধ্যে গোলাপই বেশি। সানার মুহূর্তে মনে হলো এটা তার ব্যালকনি। না এটার কাছে তার ব্যালকনিকে মনে হবে 'সমুদ্র তীরে বালিকণা' শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে সারহাদের এই ডুপ্লেক্স। সামনে বড় একটি নেমপ্লেটে গুটি গুটি অক্ষরে লেখা 'রোজ হাউস' সানার মুখ থেকে আপনা আপনি বেরিয়ে যায়,
-"That's like my dream house"
এসপি তাড়া দেওয়াতে সানা চলে যায়। অথচ তারা দেখলেই না কেউ দূর থেকে কাচের ফাঁক গলিয়ে মোহবিষ্ট নয়নে তাকিয়ে, তার ঠোঁটের কোণে রহস্যময় হাসি।
_______________
সানা কে রেখে আসার পর থেকেই এসপি সারহাদের রুমে বসে আছে। সে নাকি বাড়ি যাবে না। কিন্তু সারহাদের মনে চলছে অন্য কথা। তার ঠোঁটের কোণে ঝুলছে রহস্যের ঘনঘটা। তখনই এসপি জোরে বলে ওঠে,
-"ব্রো, তুমি শুনতে পাচ্ছ?"
সারহাদ কপালে ভাজ ফেলে বলে,
-"তোর ফ্রেন্ড, 'সানা' তাইনা?"
-"আরে আমি কি বলছি তোমাকে ব্রো, আর তুমি কি বলছো"
সারহাদ কানে তুললো না এসপির কথা। সে আবারো বললো,
-"কি করে ও?"
-"ফ্যাশন ডিজাইনার, এখনো ক্লাস চলছে। অতি শীঘ্রই হয়ে যাবে"
-"আচ্ছা"
এসপি আবার কিছু বলবে তার আগেই সারহাদ তার কথা থামিয়ে বলে ওঠে,
-"আমি কি ওর ডিজাইন দেখতে পারি?"
-"ইয়াহ অফকোর্স"
-"আচ্ছা তাহলে ওকে 'গিনিতে' নিয়ে আসবি কাল।
-"ওকে, নিয়ে আসবো। কিন্তু ব্রো আমি কিন্তু বাড়ি যাব না"
সারহাদ তার জবাবে কিছু না বলেই চলে যায়। এখন তার অনেক কাজ।
____________________
সানা সন্ধ্যার দিকে ফ্ল্যাটে আসে। পার্কিংলটে দাঁড়িয়ে তার টিম মেম্বার অন্তরার সাথে কথা বলছে। কথা শেষে মোবাইল রাখতেই তার মনে হলো, তার পিছনে কেউ আছে। প্রথমে পাত্তা না দিলেও পরপর কয়েকবার তার কানে বুট জুতার খস্ খস্ শব্দ এলো। এমন মনে হচ্ছে কেউ তার পায়ের তালে তালে ছন্দ মিলিয়ে হাঁটছে। নিস্তব্ধতায় ঘেরা পুরো পার্কিংলটে জুতার ঠকঠক শব্দ স্পষ্ট। সানা তড়াক করে পিছনে তাকায়, তড়িৎ গতিতে ঐ দিনের মতন কেউ গাড়ির পিছনে সরে যায়। পার্কিংলটে পাঁচ ছয় সারি জুড়ে নানা রঙ্গের গাড়ির বাহার। শুধুমাত্র আরজের জন্য আলাদা স্পেস, না হলে সবার গাড়ি একসাথে। সানা ধীর কদমে এগিয়ে যায় পিছনের সারির দিকে। হ্যা সে কাউকে এদিকে আসতেই দেখেছে। মনে সন্দেহের ছটা, সত্যিই কেউ ছিল নাকি ভ্রম। নিজেকে ভুল প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে হাঁক ছুড়ে,
-"কে?.. কে ওখানে?"
না কোন আওয়াজ আসছে না। সে আবারো বলে,
-"হ্যালো... সামবডি ইজ দেয়ার?"
না এবারও কোন আওয়াজ আসছে না ওই দিক থেকে। শুনশান নীরবতার মাঝে তার বলা শব্দগুলো তার কানেই বারবার বাঁজছে। সানা শুকনো একটা ঢোক গিলে চারপাশে তাকায়, কেউ নেই তার দৃষ্টি সীমার মধ্যে। হয়তো সে ভুল দেখেছে এই ভেবে পা বাড়ায় লিফট এর দিকে। লিফট এ ঢুকে 'সেভেন' এ প্রেস করে। লিফট বন্ধ হয়ে যায়। সানা নিজের মোবাইল ঘাটতে শুরু করে। তার পূর্ণ মনোযোগ নিজের হাতের মুঠো ফোনে। সাত তলায় লিফট থেমে গেল। সানা বেরিয়ে তাদের ফ্ল্যাট 'ব্ল্যাক স্পেস' এরদিকে চলে যায়। অথচ সে লক্ষ্যই করল না লিফট এ ঠিক তার পিছনে দাঁড়িয়ে ছিল নীলাভ মনির 'মাস্টার'। সে এখনো তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে সানার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে। মাস্কের আড়ালে ঠোঁটের কোণে নৈঃশব্দ্যিক বাঁকা হাসির রেশ। সানা চোখের আড়াল হওয়ার পরেই তার ট্যাটু যুক্ত হাতখানা বের করে জিরো বাটনে প্রেস করে। লিফট বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু সে মুখে আওড়ায় কয়েকটি শব্দ,
-"যতটা আনন্দ, ততটাই যন্ত্রণা"
____________________
রাত এগারোটার সময় এসপির লাল রঙের টয়োটা গাড়িটা ঢুকে চৌধুরী মহলে। ইচ্ছা করেই সে দেরিতে এসেছে যাতে তার মামা ঘুমিয়ে পড়ে। পার্কিংলটে গাড়ি রেখে বাড়ির দোরগোড়ায় পা রাখতেই, কোন পূর্বাভাস ছাড়াই কারো উষ্ণ শরীর ঝাপিয়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে। এসপি কয়েক কদম পিছিয়ে যায়। ভেসে আসে একটা মিহি রিনরিনে মেয়েলি মিষ্টি কণ্ঠস্বর,
-"ফারাদ ভাই"
-চলবে...
